• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৯ অপরাহ্ন |

নীলফামারীর ৪টি আসনে ৯ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল: বৈধ প্রার্থী ২৪

সিসি নিউজ।। নীলফামারীর চারটি সংসদীয় আসনে ৯জন প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বাতিল হয়েছে। যাচাই-বাছাইয়ে শুক্রবার ৬জন ও গত বৃহস্পতিবার ৩জনের মনোনয়ন পত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়।

জেলার ৪টি আসনে ৩৩ প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র জমা পড়ে। ৯জনের মনোনয়ন পত্র বাতিলের পর বৈধ প্রার্থী রইলো ২৪ জন।

শুক্রবার নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) এবং নীলফামারী-৪ (কিশোরগঞ্জ-সৈয়দপুর) আসনের মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাই হয়। এসময় নীলফামারী-৩ আসনে ঋণ খেলাপীর দায়ে মো. রোহান চৌধুরী (জাপা) এবং ত্রুটিপূর্ণ হলফনামার কারণে মো. আমজাদ হোসেনের (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ) মনোনয়ন পত্র বাতিল হয়।

নীলফামারী-৪ আসনে স্বতন্ত্র ৪ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়। তারা হলেন, মো. জোবায়দুর রহমান, রিয়াদ আরাফাত সরকার, মো. মামুনুর রশিদ ও মো. শাহরিয়ার ফেরদৌস। এক শতাংশ ভোটারদের তথ্যে ত্রুটি থাকায় ওই ৪জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার যাচাই-বাছাইয়ে নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম এবং নীলফামারী-২ (সদর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল হাসনাত মো. সাইফুল্লাহ ও মিনহাজুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। এক শতাংশ ভোটারদের তথ্যে ত্রুটি থাকায় তাদের মনোনয়ন বাতিল হয়।

৯ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের পর চারটি সংসদীয় আসনে বৈধ প্রার্থী রইলো ২৪জন। এর মধ্যে নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে ৯ জন, নীলফামারী-২ (সদর) ৫জন, নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) ২ জন, নীলফামরী-৪ (সৈয়দপুর কিশোরগঞ্জ) আসনে ৮ জন।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান এসব তথ্য নিশ্চিৎ করে বলেন, ‘জেলার ৪টি আসনে মোট ৩৩জন প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র জমা পড়েছিল। শুক্রবার পর্যন্ত ওই ৪টি আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে ৯জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। জেলার ৪টি আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা রইলো ২৪ জন। তবে মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা চাইলে প্রার্থীতা ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন’।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ